দ্বীনি শিক্ষার গুরুত্ব।
আসসালামু আলাইকুম
আমার কথাগুলো একটু মনোযোগ দিয়ে পড়বেন।
হে আমার দ্বীনি ভাই ও আপুরা! মনে করেন আজ আমি প্রাপ্ত বয়স্ক হয়েছি। আজ বা কাল বিয়ে করব। সন্তানাদি হবে। আমরা বুড়া হবো। সন্তানাদিরা বড় হবে। সন্তানাদিকে স্কুল কলেজে শিক্ষা দিব। তারা জব করবে। আমাদেরকে খাওয়াবে। আর আমরা এক সময় আসবে মরে যাব।
এদিকে সন্তানরা আমাদেরকে কবর দিয়ে চলে আসবে। আর হুজুর পাইলে দাওয়াত খাওয়াইবে।
হে দ্নীনি আপু ও ভাইয়ারা! আমরা কি এত হতভাগা যে,
আমরা এমন সন্তান রেখে যাব যে আমাদের জানাযা পড়াতে পারে না!!!
আমরা কি এমন সন্তান রেখে যাব যে মা বাবার কবরে সুরা ইয়াসিন সহ কুরআন তেলাওয়াত করে দোয়া করতে পারে না!!
আমরা এমন সন্তান রেখে যাব যে, নিজে মা বাবার জন্য দোয়া না করে ভারা করে হুজুর আনিয়ে দোয়া করবে!!!
তাহলে প্রশ্ন হলো আমি বাবা বা মা হিসেবে সন্তানকে কি শিক্ষা দিব? কি করলে তারা এমন কাজ করবে!
হে দ্বীনদার আপু ও ভাইয়েরা!
আপনার একটা ভাল সুন্দর ছেলেকে মাদরাসায় দেন। তাকে মাদরাসার শিক্ষা দিয়ে গড়ে তুলেন। তাহলে সে আপনার জানাযা, দোয়া করতে থাকবে। সে যত নেক কাজ করবে কবরে আপনি তার সুওয়াব পেতে থাকবেন। এমন সুভাগ্য সন্তানের মা বাবা হতে চান না?
চান না আমি মরার পরে আমার ছেলে জানাযা পড়াবে। আমি মরলে আমার ছেলে কবরের পাশে এসে কাঁদবে আমাদের জন্য!
যদি চান তাহলে কমপক্ষে একটি ছেলেকে মাদরাসায় দাও। দুনিয়া আখেরাতে কামিয়াব হবে।
জেনে রাখেন, কোটি টাকা থাকতে পারে, সন্তানকে লন্ডন আমেরিকা পাটিয়ে লেখাপড়া করাতে পারেন। বাট সেই সন্তান আর কোটি টাকা আপনার মরার পরে কাজে আসবে না। কাজে আসবে সেই মাদরাসায় পড়নেওয়ালা পোলা।
আল্লাহ সবাই সঠিক বুঝ দান করুক।
No comments
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ