যৌতুক প্রথা
যৌতুক একটি মরনব্যধী রোগ। এটা সমাজের একটা কেন্সার। এই কেন্সার দূর করতে মেয়েদের অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে।
আজকাল দম্পতিরর ঘরে মেয়ে হলে কপাল ভাজ করে। একে বিয়ে দিতে হলে অনেক টাকা লাগবে। এই চিন্তা মেয়ে জন্ম হওয়ার পর থেকেই শুরু হয়ে যায়। এটা হলো জাহেলিয়াতের মেয়ে সন্তান হত্যার নব্যরুপ।
কেন মেয়ে সন্তান হলে আমরা কপাল ভাজ করবো? মেয়ে সন্তান হলে তাকে লালন পালন করলে সদকার সুওয়াব পাওয়া যায় তেমনি যে মা বাবা মেয়ে সন্তান জন্ম দেয় তাদের অনেক ফজিলত ও সুয়াব হাদীসে আছে ।
প্রশ্ন এত ফজিলত থাকা সত্ত্বেও আমরা মেয়ে হলে কপাল ভাজ করি কেন?
এর কারন একটি অভিশাপ্ত সমাজ ও যৌতুক। সমাজে মনে করে মেয়ে হলে বিয়ে দিতে হলে লাখ লাখ টাকা লাগে। অথচ ইসলামে মেয়েদের বিয়েতে কোন খরচের কথা বলে না। বরং মহর দেওয়া বরের উপর ফরজ। মেয়ের বাড়ি বরযাত্রী যাওয়া, তথায় খাওয়া এগুলো সব কুসংস্কার। ইসলাম বলে মেয়ে পছন্দ হলে সাক্ষীর উপস্থিতে ইজাব কবুল বলে বর তাকে উঠিয়ে নিবে। পরে বর ওলিমা করে দাওয়াত দিয়ে খাওয়াবে ।
অথচ আমরা সমাজে এর উল্টা দেখি। কন্যার বাড়ি রাক্ষুসের মত গিয়ে খায় আর ওলিমার কোন খবর থাকেনা। ইসলামে মেয়ে বিয়ে দিতে কোন খরছ নাই। তবে মেয়ের অবস্থা ভাল হলে কিছু আসবাবপত্র দেওয়া ভাল। এটা দেওয়া জরুরী না। তবে চাওয়া হারাম।
তাই আসুন আমরা মেয়েরা এর প্রতিবাদ করি।
যে আপুর কোন বিয়ে ঠিক হবে তখন খুব খেয়াল করবে যদি বরের পক্ষ থেকে কিছু চাওয়া হয় তাহলে সেই বিয়েকে লাথি মার। সেই বিয়ে আপনি করবেন না। সাথে সাথে না করে দিবেন। আর টাকা চাইলে জুতা দিয়ে পিটা দিয়ে বের করে দিবেন।
হে আপুরা! আমরা যদি সবাই এর প্রতিবাদ করি তাহলে যৌতুক উঠে যাবে। গরীব বোনেরা বাঁচবে। তাই ধনী গরীব সবাই প্রতিবাদ করতে হবে। এই প্রতিবাদ করা আমাদের জন্য একান্ত আবশ্যক।
এই প্রতিবাদ করলে গুনাহ হবে না বরং সুওয়াব হবে। এতে বড়দের কথা অমান্য করলে গুনাহ হবে না। তাই প্রতিবাদ করুন নিজ নিজ অবস্থানে।
No comments
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ