♥♥ বিবাহ ♥♥
আসসালামু-আলাইকুম
--
"বিবাহ পূর্ব ভালবাসা হারাম#;বিবাহ পরবর্তী ভালবাসা আল্লাহর বিধান।" ♥♥
বিবাহ একটি পবিত্র বন্ধন, যা মহামূল্যবান রত্নের ন্যায়। এটা এক হীরক টুকরো। স্বামী-স্ত্রী এবং উভয়ের পরিবারের যথাসম্ভব চেষ্টা করা উচিৎ যেন এই হীরার টুকরোটিতে আঁচ না লাগে, বা ভেঙে না যায়। এ বন্ধন ভেঙে যাওয়া মানে উভয় পক্ষের জন্য হাজারো গোনাহের দরজা খুলে দেয়া, যা নিশ্চয় আমরা চাইব না।
--
শয়তান সর্বদা মানুষের পেছনে লেগে আছে। স্বামী-স্ত্রীর মাঝে দূরত্ব তৈরি করার মাঝেই তার চূড়ান্ত সফলতা। স্বামী-স্ত্রীর মাঝে বিচ্ছেদ তৈরিকারী শয়তান, শয়তানদের সরদার ইবলিসের কাছে বেশি প্রিয়।
--
রাসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, নিশ্চয় ইবলিস পানির ওপর তার সিংহাসন বসায়, অতঃপর তার বাহিনীকে পাঠায় (মানুষকে বিপথগামী করার জন্য)। তাদের মধ্যে তার কাছে সবচেয়ে নিকটবর্তী সে-ই হয় যে সবচেয়ে বড় ফিতনা তৈরি করতে পারে। তো, কেউ এসে জানায়, আমি ওটা করেছি, সেটা করেছি; ইবলিস বলে, এটা তেমন কিছু করো নি। অতঃপর অন্য একজন এসে জানায়, আমি অমুককে ততক্ষণ পর্যন্ত ছাড়ি নি, যতক্ষণ না তার ও তার স্ত্রীর মাঝে বিচ্ছেদ ঘটিয়েছি। তখন ইবলিস তাকে কাছে টেনে নিয়ে বলে, হ্যাঁ তুমি বেশ করেছ।" (মুসলিমঃ ২৮১৩)
--
মূলত আমরা কেউই ১০০% পারফেক্ট নই। কিছু ভালো ও কিছু মন্দ দিক নিয়েই আমাদের জীবন চলা। তাই ভালো দিকগুলো দেখে খারাপগুলো সর্বদা এড়িয়ে চলা। মনে রাখতে হবে, স্ত্রীর সাথে নমনীয় ব্যবহার কাপুরুষতা নয়, বরং তা শ্রেষ্ঠত্বের পরিচয়। উম্মুল মু'মিনীন আয়িশা (রা:) থেকে বর্ণিত, রাসূল (স:) বলেন, তোমাদের মাঝে সর্বোত্তম সে, যে তার স্ত্রীর কাছে সর্বোত্তম। এবং আমি আমার স্ত্রীদের কাছে সর্বোত্তম। (তিরমিযীঃ ৪২৬৯)
--
স্বামী-স্ত্রী একে অপরের পরিচ্ছদ, সবক্ষেত্রে একে অপরের সহযোগী। মহান আল্লাহ তায়ালা বলেন, তারা তোমাদের পরিচ্ছদ এবং তোমরা তাদের পরিচ্ছদ।
(আল-কুরআনঃ ২: ১৮৭)
--
স্বামীর হালাল নির্দেশ পরিপালন দাসত্ব নয়, বরং শরীয়তের নির্দেশঃ রাসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, স্বামী উপস্থিত থাকাবস্থায় তার অনুমতি গ্রহণ ছাড়া স্ত্রীর জন্য (নফল) রোজা রাখা হালাল নয়। অনুরূপভাবে স্বামীর ঘরে অন্য কাউকে তার অনুমতি ছাড়া প্রবেশের অনুমতি দেয়া হালাল নয়। এবং নির্দেশ ছাড়া স্বামীর সম্পদ থেকে যা খরচ করবে (দান হিসেবে) তার অর্ধেক সওয়াব স্বামী পাবে। (সহীহ বুখারীঃ ৫১৯৫)
--
আল্লাহ আমাদের হালাল বন্ধনকে মজবুত করে দিন এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের মাধ্যম করে দিন।
আমিন।
--
"বিবাহ পূর্ব ভালবাসা হারাম#;বিবাহ পরবর্তী ভালবাসা আল্লাহর বিধান।" ♥♥
বিবাহ একটি পবিত্র বন্ধন, যা মহামূল্যবান রত্নের ন্যায়। এটা এক হীরক টুকরো। স্বামী-স্ত্রী এবং উভয়ের পরিবারের যথাসম্ভব চেষ্টা করা উচিৎ যেন এই হীরার টুকরোটিতে আঁচ না লাগে, বা ভেঙে না যায়। এ বন্ধন ভেঙে যাওয়া মানে উভয় পক্ষের জন্য হাজারো গোনাহের দরজা খুলে দেয়া, যা নিশ্চয় আমরা চাইব না।
--
শয়তান সর্বদা মানুষের পেছনে লেগে আছে। স্বামী-স্ত্রীর মাঝে দূরত্ব তৈরি করার মাঝেই তার চূড়ান্ত সফলতা। স্বামী-স্ত্রীর মাঝে বিচ্ছেদ তৈরিকারী শয়তান, শয়তানদের সরদার ইবলিসের কাছে বেশি প্রিয়।
--
রাসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, নিশ্চয় ইবলিস পানির ওপর তার সিংহাসন বসায়, অতঃপর তার বাহিনীকে পাঠায় (মানুষকে বিপথগামী করার জন্য)। তাদের মধ্যে তার কাছে সবচেয়ে নিকটবর্তী সে-ই হয় যে সবচেয়ে বড় ফিতনা তৈরি করতে পারে। তো, কেউ এসে জানায়, আমি ওটা করেছি, সেটা করেছি; ইবলিস বলে, এটা তেমন কিছু করো নি। অতঃপর অন্য একজন এসে জানায়, আমি অমুককে ততক্ষণ পর্যন্ত ছাড়ি নি, যতক্ষণ না তার ও তার স্ত্রীর মাঝে বিচ্ছেদ ঘটিয়েছি। তখন ইবলিস তাকে কাছে টেনে নিয়ে বলে, হ্যাঁ তুমি বেশ করেছ।" (মুসলিমঃ ২৮১৩)
--
মূলত আমরা কেউই ১০০% পারফেক্ট নই। কিছু ভালো ও কিছু মন্দ দিক নিয়েই আমাদের জীবন চলা। তাই ভালো দিকগুলো দেখে খারাপগুলো সর্বদা এড়িয়ে চলা। মনে রাখতে হবে, স্ত্রীর সাথে নমনীয় ব্যবহার কাপুরুষতা নয়, বরং তা শ্রেষ্ঠত্বের পরিচয়। উম্মুল মু'মিনীন আয়িশা (রা:) থেকে বর্ণিত, রাসূল (স:) বলেন, তোমাদের মাঝে সর্বোত্তম সে, যে তার স্ত্রীর কাছে সর্বোত্তম। এবং আমি আমার স্ত্রীদের কাছে সর্বোত্তম। (তিরমিযীঃ ৪২৬৯)
--
স্বামী-স্ত্রী একে অপরের পরিচ্ছদ, সবক্ষেত্রে একে অপরের সহযোগী। মহান আল্লাহ তায়ালা বলেন, তারা তোমাদের পরিচ্ছদ এবং তোমরা তাদের পরিচ্ছদ।
(আল-কুরআনঃ ২: ১৮৭)
--
স্বামীর হালাল নির্দেশ পরিপালন দাসত্ব নয়, বরং শরীয়তের নির্দেশঃ রাসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, স্বামী উপস্থিত থাকাবস্থায় তার অনুমতি গ্রহণ ছাড়া স্ত্রীর জন্য (নফল) রোজা রাখা হালাল নয়। অনুরূপভাবে স্বামীর ঘরে অন্য কাউকে তার অনুমতি ছাড়া প্রবেশের অনুমতি দেয়া হালাল নয়। এবং নির্দেশ ছাড়া স্বামীর সম্পদ থেকে যা খরচ করবে (দান হিসেবে) তার অর্ধেক সওয়াব স্বামী পাবে। (সহীহ বুখারীঃ ৫১৯৫)
--
আল্লাহ আমাদের হালাল বন্ধনকে মজবুত করে দিন এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের মাধ্যম করে দিন।
আমিন।

No comments
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ