চক বাজারের আগুনে মসজিদ মাদ্রাসা নিরাপদ!
চকবাজার অগ্নিকাণ্ড : আগুনের তাপের প্রচন্ডতায় গেট ও টাইলস গলে গেলো কিন্ত কোন ক্ষতি হয়নি মসজিদের !!!!
চকবাজারে চুড়িহাট্টায় ভয়ানক অগ্নিকাণ্ডের কারনে ধ্বংসস্তুপে পরিণত বাড়িগুলোর সাথেই চুড়িহাট্টা জামে মসজিদ, ওই মসজিদেই অবস্থিত চুড়িহাট্টা হাফেজিয়া মাদরাসা, আগুনে মসজিদের ডানে-বামে ও সামনের ভবনগুলো ভয়াবহ ক্ষতিগ্রস্ত হলেও মসজিদের উল্লেখযোগ্য কোনো ক্ষয়-ক্ষতি হয়নি বরং নিরাপদে সরে যেতে সক্ষম হয়েছে চুড়িহাট্টার হাফেজিয়া মাদরাসার ছাত্র-শিক্ষকরা।
এভাবে মাদরাসা-মসজিদ ও মাদরাসার শিক্ষকদের-ছাত্র-? রক্ষা পাওয়াকে আল্লাহর বিশেষ কুদরত বলেই মনে করেন চুড়িহাট্টা মসজিদের ইমাম হাফেজ মুফতি নাঈমুল ইসলাম।
তিনি বলেন, একটা খালি জায়গার একদিকে মসজিদ ও ৩ দিকে বাড়ি। দিকের ৩ টি বাড়ি পুড়ে ছাই হয়ে গেলেও আল্লাহ তার ঘরকে রক্ষা করলেন। আরো আশ্চর্যের বিষয় হলো আগুনের তাপে মসজিদের সিলভারের গেট গলে গেলো কিন্তু আগুন লাগেনি। এটা কি আল্লাহর নিদর্শন না?
তিনি আরও জানান, চুড়িহাট্টা জামে মসজিদের উপরের তলায় ১ টি হাফেজি মাদরাসা রয়েছে। হিফজ বিভাগে ৩০ জন শিক্ষার্থী ও ২ জন শিক্ষক রয়েছেন। আল্লাহর রহমতে তারা সুস্থ ও নিরাপদে মাদরাসা থেকে বাহির হতে পেরেছে। তবে অগ্নিকাণ্ডের সময় মাদরাসায় কতজন ছাত্র-শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন তিনি তা নিশ্চিত করে বলতে পারেননি।
আগুন ছড়িয়ে পড়ার পরে মাদ্রাসার ছাত্র-শিক্ষকরা মসজিদের ছাদ দিয়ে অন্য বাড়ির ছাদ হয়ে নিরাপদে নেমে যান। স্থানীয় মানুষ ও উদ্ধার কর্মীরা তাদের ছাদ পার হতে সহযোগিতা করেন।
মুফতি নাঈম বলেন, আগুন ছড়িয়ে পড়ার পর আমরা কেউ অনুমান করিনাই মসজিদ রক্ষা পাবে। অগ্নিকাণ্ডে তুলনামূলক দূরের বাড়ি পুড়লেও মসজিদটি রক্ষা পেয়ে গেছে।
অগ্নিকাণ্ডে মসজিদের ক্ষতির মধ্যে হয়েছে, গেট গলে যাওয়া, আগুনের তাপে কয়েক টুকরা টাইলস উঠে যাওয়া এবং আশ্রয় প্রার্থীদের ছোটাছুটিতে মসজিদের কার্পেট ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে যাওয়া ইত্যাদি। তবে মসজিদের মৌলিক অবকাঠামোতে কোনো ক্ষতি হয়নি বলে তিনি জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, বুধবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে চুড়িহাট্টা মসজিদের পাশে হাজী ওয়াহেদ মিয়ার বাড়িতে আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে আশপাশের আরও চারটি ভবনে ভয়াবহভাবে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। এরপর ফায়ার সার্ভিসের ৩৭টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে।
আগুনের উৎসের কথা উল্লেখ করে পুলিশের আইজিপি বলেন, একদিকে তো সেখানে রাসায়নিক গুদাম, তার ওপর ওই ভবনের সামনে কয়েকটি গাড়ি ছিল, যেগুলো গ্যাসে চলে। এই আগুনের কারণে গাড়িগুলো বিস্ফোরিত হয়। আরেকটি গাড়ি ছিল, যার ভেতর ছিল অনেকগুলো সিলিন্ডার। ওই সিলিন্ডার হয়তো আশপাশের বাড়িতে ও হোটেলে গ্যাস সরবরাহের জন্য ছিল। ওই গাড়িতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ হয়। এ কারণে মৃত ব্যক্তির সংখ্যা ও ক্ষয়ক্ষতি অনেক বেড়ে যায়। আগুন নেভানো কঠিন হয়ে পড়ে। ফায়ার সার্ভিসের ৩৭টি ইউনিট কাজ করছে। এ ছাড়া তিনটি হেলিকপ্টার দিয়ে ওপর থেকে পানি দেওয়া হয়েছে আগুন নেভানোর জন্য।
কোর প্রশ্ন থাকলে কমেন্টে জানান
চকবাজারে চুড়িহাট্টায় ভয়ানক অগ্নিকাণ্ডের কারনে ধ্বংসস্তুপে পরিণত বাড়িগুলোর সাথেই চুড়িহাট্টা জামে মসজিদ, ওই মসজিদেই অবস্থিত চুড়িহাট্টা হাফেজিয়া মাদরাসা, আগুনে মসজিদের ডানে-বামে ও সামনের ভবনগুলো ভয়াবহ ক্ষতিগ্রস্ত হলেও মসজিদের উল্লেখযোগ্য কোনো ক্ষয়-ক্ষতি হয়নি বরং নিরাপদে সরে যেতে সক্ষম হয়েছে চুড়িহাট্টার হাফেজিয়া মাদরাসার ছাত্র-শিক্ষকরা।
এভাবে মাদরাসা-মসজিদ ও মাদরাসার শিক্ষকদের-ছাত্র-? রক্ষা পাওয়াকে আল্লাহর বিশেষ কুদরত বলেই মনে করেন চুড়িহাট্টা মসজিদের ইমাম হাফেজ মুফতি নাঈমুল ইসলাম।
তিনি বলেন, একটা খালি জায়গার একদিকে মসজিদ ও ৩ দিকে বাড়ি। দিকের ৩ টি বাড়ি পুড়ে ছাই হয়ে গেলেও আল্লাহ তার ঘরকে রক্ষা করলেন। আরো আশ্চর্যের বিষয় হলো আগুনের তাপে মসজিদের সিলভারের গেট গলে গেলো কিন্তু আগুন লাগেনি। এটা কি আল্লাহর নিদর্শন না?
তিনি আরও জানান, চুড়িহাট্টা জামে মসজিদের উপরের তলায় ১ টি হাফেজি মাদরাসা রয়েছে। হিফজ বিভাগে ৩০ জন শিক্ষার্থী ও ২ জন শিক্ষক রয়েছেন। আল্লাহর রহমতে তারা সুস্থ ও নিরাপদে মাদরাসা থেকে বাহির হতে পেরেছে। তবে অগ্নিকাণ্ডের সময় মাদরাসায় কতজন ছাত্র-শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন তিনি তা নিশ্চিত করে বলতে পারেননি।
আগুন ছড়িয়ে পড়ার পরে মাদ্রাসার ছাত্র-শিক্ষকরা মসজিদের ছাদ দিয়ে অন্য বাড়ির ছাদ হয়ে নিরাপদে নেমে যান। স্থানীয় মানুষ ও উদ্ধার কর্মীরা তাদের ছাদ পার হতে সহযোগিতা করেন।
মুফতি নাঈম বলেন, আগুন ছড়িয়ে পড়ার পর আমরা কেউ অনুমান করিনাই মসজিদ রক্ষা পাবে। অগ্নিকাণ্ডে তুলনামূলক দূরের বাড়ি পুড়লেও মসজিদটি রক্ষা পেয়ে গেছে।
অগ্নিকাণ্ডে মসজিদের ক্ষতির মধ্যে হয়েছে, গেট গলে যাওয়া, আগুনের তাপে কয়েক টুকরা টাইলস উঠে যাওয়া এবং আশ্রয় প্রার্থীদের ছোটাছুটিতে মসজিদের কার্পেট ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে যাওয়া ইত্যাদি। তবে মসজিদের মৌলিক অবকাঠামোতে কোনো ক্ষতি হয়নি বলে তিনি জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, বুধবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে চুড়িহাট্টা মসজিদের পাশে হাজী ওয়াহেদ মিয়ার বাড়িতে আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে আশপাশের আরও চারটি ভবনে ভয়াবহভাবে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। এরপর ফায়ার সার্ভিসের ৩৭টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে।
আগুনের উৎসের কথা উল্লেখ করে পুলিশের আইজিপি বলেন, একদিকে তো সেখানে রাসায়নিক গুদাম, তার ওপর ওই ভবনের সামনে কয়েকটি গাড়ি ছিল, যেগুলো গ্যাসে চলে। এই আগুনের কারণে গাড়িগুলো বিস্ফোরিত হয়। আরেকটি গাড়ি ছিল, যার ভেতর ছিল অনেকগুলো সিলিন্ডার। ওই সিলিন্ডার হয়তো আশপাশের বাড়িতে ও হোটেলে গ্যাস সরবরাহের জন্য ছিল। ওই গাড়িতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ হয়। এ কারণে মৃত ব্যক্তির সংখ্যা ও ক্ষয়ক্ষতি অনেক বেড়ে যায়। আগুন নেভানো কঠিন হয়ে পড়ে। ফায়ার সার্ভিসের ৩৭টি ইউনিট কাজ করছে। এ ছাড়া তিনটি হেলিকপ্টার দিয়ে ওপর থেকে পানি দেওয়া হয়েছে আগুন নেভানোর জন্য।
কোর প্রশ্ন থাকলে কমেন্টে জানান

No comments
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ