মহিয়সী জেবুন্নেসা এর কাহিনী।
হাফেজ মওলানা আলমগির ছিলেন একজন মোঘল সম্রাট।
তার ছিল একটি মেয়ে তার নাম "জেবুন্নেছা" যার অর্থ হল "ললনাশ্রী"।
জেবুন্নেছারর মেধা ছিল অত্যন্ত প্রখর। তিনি যখন কোরআন মুখাস্থ করতেন তখন তা ভুলে যাওয়ার সম্ভাবনা ছিল খুবই কম। জেবুন্নেছাহাফেজা হওয়ার পরও আরবী, ফার্সি এবং উর্দুতেও পান্ডিত্ত অর্জন করেন। এ ছাড়াও অন্যান্য ভাষায় তিনি যথেষ্ঠ যোগ্যতা সম্পন্ন ছিলেন। একবার পারস্যের বাদশাহ স্বপ্নরে মধ্যেই একটি কবিতা ছত্র মুখস্ত করেন -
در ابلق کسے کم دیده موجود
অর্থ- "সাদা এবং কাল মিশ্রিত রঙ্গের প্রত্যক্ষদর্শী বিরল।"
বাদশাহ পারস্যের বিভিন্ন খ্যাতনামা কাব্যবিদ ও কবিদেরকে ঐ বাক্যের সাথে মিলিয়ে অর্থ, ছন্দ ও তাতপর্য পুর্ণ আরেকটি বাক্য তঐরি করতে বল্লেন, অনেকে অনেক কবিতা তৈরি করে বাদশাহ কে দেখালো, কিন্ত বাদশাহের তা মনমত হলোনা, অবশেষে সকলের পরামর্শে ওই বাক্য টি হিন্দুস্থানের কবিদের নিকট পাঠিয়ে দিলেন, দিল্লির দরবারে সকলেই যখন ইতস্ততঃ করেছেন তন অন্তপুরে ভারতের বিখ্যাত বিদুষী আওরঙ্গেজেবের গুনবতী, চরিত্রবতী ও প্রতিভাবতী মেয়ে জেবুন্নেছা এর নিকটে তা পাঠানো হলো তিনি তাতে একটু চখ বুলিয়ে পরের চরন লিখে দিলেনঃ-
مگر اشک بتان سرمه الود
অর্থ - "কিন্ত সুরমা পরা চোখের অশ্রু বিন্দুতে ঐ মোতার প্রাচুর্য। "
সাধারন একটা বাক্যের সঙ্গে জেবুন্নেছার রচিত এই অসাধারণ জ্ঞান - বুদ্ধি বিজড়িত উচ্চশ্রেণীর ছন্দ সৃষ্টিতে ভারতের জ্ঞানী - গুনিরা তো মুগ্ধ হয়েছিলেন সেই সঙ্গে যখন ওই কবিতা টি পারস্যের বাদশাহর নিকট পৌঁছেছিল তখন বাদশাহ ও তার পারস্যোবাসী এতো শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে যে, তার জ্ঞান মুগ্ধ ও গুনমুগ্ধের অনেক পুস্তক-পুস্তিকায় প্রকাশ করেছিল। পারস্যের সুলতান কে পান্ডিত রা অনুরুধ করলো ডেন ওই নারীকে সম্মান প্রদর্শন এর জন্য আমন্ত্রন যানানো হয়।, তাই সুলতান বিখ্যাত কবিদের দিয়ে জকে একটি কবিতা লিখে দেন,
ترااے مهجی پر داد سرمه الود
অর্থ হে চন্দ্রপেক্ষা সুন্দরী! আমাদের ব্যাবধান দুরিভূত হোক, পর্দার বাইরে আপনার দর্শনে আশানিয়ে যেতে চাই।
বাদশার এ কবিতার মাদ্ধমে আমন্ত্রনের বদলায় সম্রাটের কন্যা লিখে পাঠালেন
در سخن مخفی منم چوں بوےگل در برگ گل
هرکه دیدن میل دارد در سخن بیدن مرا
অর্থ পুষ্পের সুঘ্রানের মত পুষ্পেই আমি লুকিয়ে আছি। আমাকে যদি কেও দেখতে চায় তাহলে সে দেখুক আমারই লিখা।
এরকম পর্দার পক্ষ পাতিনী নারী হয়েও জেবুন্নেছা কে আজ মর্মান্তিক ও ঘৃন্য অভিযোগের শিকার হতে হয়েছে। বলা বাহুল্য জেবুন্নেছা, রওশনারা আর জাহানারা প্রভিতি রমনীগন পর্দা বজায় রেখে যে পান্ডিত্ত অর্জনের ইতিহাস রেখেগেছেন তা আমাদের মা বোনদের উৎসাহ যোগাবে। ( চেপেরাখা ইতিহাস)
তার ছিল একটি মেয়ে তার নাম "জেবুন্নেছা" যার অর্থ হল "ললনাশ্রী"।
জেবুন্নেছারর মেধা ছিল অত্যন্ত প্রখর। তিনি যখন কোরআন মুখাস্থ করতেন তখন তা ভুলে যাওয়ার সম্ভাবনা ছিল খুবই কম। জেবুন্নেছাহাফেজা হওয়ার পরও আরবী, ফার্সি এবং উর্দুতেও পান্ডিত্ত অর্জন করেন। এ ছাড়াও অন্যান্য ভাষায় তিনি যথেষ্ঠ যোগ্যতা সম্পন্ন ছিলেন। একবার পারস্যের বাদশাহ স্বপ্নরে মধ্যেই একটি কবিতা ছত্র মুখস্ত করেন -
در ابلق کسے کم دیده موجود
অর্থ- "সাদা এবং কাল মিশ্রিত রঙ্গের প্রত্যক্ষদর্শী বিরল।"
বাদশাহ পারস্যের বিভিন্ন খ্যাতনামা কাব্যবিদ ও কবিদেরকে ঐ বাক্যের সাথে মিলিয়ে অর্থ, ছন্দ ও তাতপর্য পুর্ণ আরেকটি বাক্য তঐরি করতে বল্লেন, অনেকে অনেক কবিতা তৈরি করে বাদশাহ কে দেখালো, কিন্ত বাদশাহের তা মনমত হলোনা, অবশেষে সকলের পরামর্শে ওই বাক্য টি হিন্দুস্থানের কবিদের নিকট পাঠিয়ে দিলেন, দিল্লির দরবারে সকলেই যখন ইতস্ততঃ করেছেন তন অন্তপুরে ভারতের বিখ্যাত বিদুষী আওরঙ্গেজেবের গুনবতী, চরিত্রবতী ও প্রতিভাবতী মেয়ে জেবুন্নেছা এর নিকটে তা পাঠানো হলো তিনি তাতে একটু চখ বুলিয়ে পরের চরন লিখে দিলেনঃ-
مگر اشک بتان سرمه الود
অর্থ - "কিন্ত সুরমা পরা চোখের অশ্রু বিন্দুতে ঐ মোতার প্রাচুর্য। "
সাধারন একটা বাক্যের সঙ্গে জেবুন্নেছার রচিত এই অসাধারণ জ্ঞান - বুদ্ধি বিজড়িত উচ্চশ্রেণীর ছন্দ সৃষ্টিতে ভারতের জ্ঞানী - গুনিরা তো মুগ্ধ হয়েছিলেন সেই সঙ্গে যখন ওই কবিতা টি পারস্যের বাদশাহর নিকট পৌঁছেছিল তখন বাদশাহ ও তার পারস্যোবাসী এতো শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে যে, তার জ্ঞান মুগ্ধ ও গুনমুগ্ধের অনেক পুস্তক-পুস্তিকায় প্রকাশ করেছিল। পারস্যের সুলতান কে পান্ডিত রা অনুরুধ করলো ডেন ওই নারীকে সম্মান প্রদর্শন এর জন্য আমন্ত্রন যানানো হয়।, তাই সুলতান বিখ্যাত কবিদের দিয়ে জকে একটি কবিতা লিখে দেন,
ترااے مهجی پر داد سرمه الود
অর্থ হে চন্দ্রপেক্ষা সুন্দরী! আমাদের ব্যাবধান দুরিভূত হোক, পর্দার বাইরে আপনার দর্শনে আশানিয়ে যেতে চাই।
বাদশার এ কবিতার মাদ্ধমে আমন্ত্রনের বদলায় সম্রাটের কন্যা লিখে পাঠালেন
در سخن مخفی منم چوں بوےگل در برگ گل
هرکه دیدن میل دارد در سخن بیدن مرا
অর্থ পুষ্পের সুঘ্রানের মত পুষ্পেই আমি লুকিয়ে আছি। আমাকে যদি কেও দেখতে চায় তাহলে সে দেখুক আমারই লিখা।
এরকম পর্দার পক্ষ পাতিনী নারী হয়েও জেবুন্নেছা কে আজ মর্মান্তিক ও ঘৃন্য অভিযোগের শিকার হতে হয়েছে। বলা বাহুল্য জেবুন্নেছা, রওশনারা আর জাহানারা প্রভিতি রমনীগন পর্দা বজায় রেখে যে পান্ডিত্ত অর্জনের ইতিহাস রেখেগেছেন তা আমাদের মা বোনদের উৎসাহ যোগাবে। ( চেপেরাখা ইতিহাস)

No comments
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ