বিসমিল্লাহির বরকত সমূহ....



প্রতিটা ভালো কাজের শুরুতে বিসমিল্লাহ্ বলা শয়তানের বিরুদ্ধে প্রথম জিহাদ।
হাদীসে বলা হয়েছে, মানুষ যদি প্রয়োজনেের সময় নিজের দেহ থেকে কাপড় খোলে তখন যেন বিসমিল্লাহ পাঠ করার কারণে না জ্বীন তাকে দেখতে পারে, না শয়তান তাকে দেখতে পারে।
এটা কতটুকু ছোট আমল ; কিন্তু কতজন লোক কাপড় খোলার সময় বিসমিল্লাহ পাঠ করে?
অনেকেই ভুলে যায়।
মহিলারা যদি গোসল করার সময় বিসমিল্লাহ পাঠ না করে তবে জ্বীনরাও তাদেরকে দেখবে। শয়তানও দেখবে।
এখন চিন্তা করুন আপনি নিজে ............
আপনি ভাবছেন কেউ আপনাকে দেখছে না গোসল করছেন "কিন্তু আমাদের চোখের আড়ালে যারা আছে তারা আপনাকে দেখতে পাচ্ছে।
তাই কয়েক সেকেন্ড সময় লাগে বিসমিল্লাহ পড়লে এটা পড়লে আপনাকে কেউ দেখতে পাবে না।
অতপর : অনেকেই দেখা যায় কান্নাকাটি করে ঘোরাফেরা করে যে, আমাদের উপর দুষ্ট আত্নার আসর লেগেছে।
আরে হে মুসলমান! আসর লাগে নি তুমি নিজেই আসর লাগার ব্যাবস্থা করেছো।
তুমি যদি ছোট্ট আমল বিসমিল্লাহ পড়তে তাহলে এই অবস্থা হতো না।
হে বোন! রাসূল সাঃ একটি সংক্ষিপ্ত কথা বলেছিলেন। তার দ্বারা এত বড় ফায়দা ছিল যে, মানুষের দেহে শয়তানের আসর লাগবেনা ও জ্বীনের কুদৃষ্টি লাগবেনা।
কিন্তু আমরা সেই আমল ভুলে গেছি। স্বামী স্ত্রী যদি একত্রিত হয়ে নিজেদের কাপড় খোলাব্স্হায় বিসমিল্লাহ পড়া ভুলে যায় তখন শয়তান তাদের কাজকর্মে শরীক হয়ে যায়। ফলাফল কি দাঁড়ায় ?
সন্তান আল্লাহরও নাফরমান হয়, পিতামাতারও নাফরমান হয়। বিষয়টি ছোট, কিন্তু প্রভাবসমূহ লক্ষ্য করুন যে, কোথায় যাচ্ছে ...?
অল্প ভুলের কারণে ক্ষতি হচ্ছে সারাজীবনের জন্য।
এজন্য সকলেই বিসমিল্লাহ বলে   আপনার সকল বৈধ কাজ শুরু করবেন এটাতে আল্লাহ অনেক বরকত দান করবেন "ইনশাআল্লাহ!
আল্লাহ আমাদের সবাইকে আমল করার তাওফীক দান করুক......... আমীন।

No comments

আপনাকে অনেক ধন্যবাদ

Powered by Blogger.