♥লাভ কাম ভালোবাসা♥
♥♥এই পোস্ট টির অসিলায় আপনি জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচতে পারেন।♥♥
কয়েক ঘন্টা সময় ধরে পোস্ট টি লিখেছি
সম্মানিত ইমানদারগন বর্তমানে যেভাবে যুবক-যুবতী বেশি গুনাহের কাজে লিপ্ত হচ্ছে সেটা হলো প্রেমঃ
বুঝিনা মানুষ যে ক্যানো বিয়ের আগে অবৈধ সমর্পকে জরিয়ে পরে,,, আর তারপর সুধু ফেসবুকে স্টাটাসে বলে, তুই ভালো থাক সুখে থাক, আমি জানি তুই আমাকে কোনদিন ভালোবাসিস নাই, তুই আজ ও আমার ভালোবাসা বুঝলি না, তুই আমায় মেরে ফেল, ইত্যাদি পোস্ট। ক্যানো মহতারাম ভাই/আপু ??? এতো কষ্ট ক্যানো??
হে যুবক- যুবতী প্রেম করবা করো মানা নেই,,,,,তবে বিয়ে করে প্রেম করো,,, তাতে ছ্যাকা খাওয়ার কোন সুযোগ নেই, সুধু তাই না, নেকি তো হবেই, কোন স্বামি - স্ত্রী মহব্বতের দৃষ্টিতে হাসি দিলে একটা কবুল হজ্বের সওয়াব পায়, সুবহানআল্লাহ।
ও যুবক-যুবতী তুমরা যারা বলো বিয়ের পরে প্রেম করে কিভাবে????
সোনো তাহলে যখন তুমি সারা রাত G.F/BF এর সাথে চ্যাটিং করো, ডেটে যাও, পার্কে যাও, কোমল ভাষায় গল্প করো, সুযোগ পেলে....👄👄...... করো এটায় কি তুমাদের প্রেম????
না, না, না এইটা কশ্চিনকালেও প্রেম নয় এইটা হলো যিনা করা, আর এই যিনা সম্পুর্ন হারাম,
আল্লাহ পাক বলেনঃ হে নবীর স্ত্রীগণ! তোমরা অন্য নারীদের মত নও (ইহুদি খ্রিষ্টানদের মত নও) তোমরা যদি আল্লাহকে ভয় পাও তবে আকর্ষণধর্মী ভঙ্গিতে কথা বলনা, যাতে যাদের মাঝে যৌনলিপ্সা আছে তারা তোমাদের প্রতি আকৃষ্ট হয়। বরং তোমরা স্বাভাবিক কথা বল। এবং তোমরা অবস্থান কর স্বীয় বসবাসের গৃহে, জাহেলী যুগের মেয়েদের মত নিজেদের প্রকাশ করো না। {সূরা আহযাব-৩২}
উক্ত সমূহে পরিস্কার ভাষায় মেয়েদের অন্যের সামনে নিজেকে প্রকাশ করতে, অপ্রয়োজনে কথা বলতে, আকর্ষণীয় ভঙ্গিতে কথা বলতে নিষেধ করা হয়েছে। যা পরিস্কার ভাষায় জানাচ্ছে যে, ফেইসবুকে প্রয়োজন ছাড়া মেয়েদের সাথে মধুর আলাপ, বা তাদের সাথে কথা কোমল ভাষায় কথা বলা যায়েজ নয়।
দ্বীনী কোন বিষয় থাকলে কম কথায় শেষ করে নিবে। অযথা রসের কথা বলা হারাম।
আল্লাহ পাক আরো বলেন, আল্লাহ ও তাঁর রসূল কোন কাজের আদেশ করলে কোন ঈমানদার পুরুষ ও ঈমানদার নারীর সে বিষয়ে ভিন্ন ক্ষমতা নেই যে, আল্লাহ ও তাঁর রসূলের আদেশ অমান্য করে সে প্রকাশ্য পথভ্রষ্ট তায় পতিত হয়।( আহযাব ৩৩:৩৬)
যে সকল মহতারাম, ভাই/আপুরা বিয়ের আগে প্রেম করতেছেন তাদের বলতেছি,আপনারা কি মনে করেন এইটা কি মন্ধ কাজ নয়??? আসুন একটা হাদিস বলি,
রাসুল (সাঃ) বলেছেন,
"যেখানে দু'জন বেগানা নারী-পুরুষ নির্জনে একত্রিত হয়, সেখানে তৃতীয়জন হয় শয়তান।"–
[সহীহ্ তিরমিযী, ১১৭১]
.এখানে নির্জনে নারী-পুরুষ কে একত্রিত হতে স্পষ্টত নিষেধ করা হয়েছে।
.
এখন ধরুন, আপনি বা আমি যদি কারো সাথে মোবাইলে কথা বলি, সেটাও নির্জনে একত্রিত হওয়া নয় কি? কারন, আমরা মোবাইলে কথা বলার সময় নির্জনেই কথা বলি।
যাদের প্রেম করার এক্সপেরিয়েন্স আছে তারা বিষয়টি ভালো ভাবেই বুঝবেন।
.
একসময় কথাবার্তা কতটা অশালীন মূহুর্তে পৌছায়)। যার দ্বারা মুখের ও অন্তরের যিনা হয়।
যা স্পষ্ট হারাম।
.
আল্লাহ বলেন, "তোমরা অশ্লীলতার ধারে কাছেও যেও না"–[আল ইসার ১৭:৩২]
উপরক্ত আয়ত এবং হাদিস দ্বারা স্পষ্ট বুঝা যাই,প্রেম মন্ধ কাজ, আর তাদের কপাল পুরে গেছে, কারন
আল্লাহ পাক বলেনঃ
যারা মন্দ কাজ করে, তারা কি মনে করে যে, তারা আমার হাত থেকে বেঁচে যাবে? তাদের ফয়সালা খুবই মন্দ। ( আনকাবুত আয়াত ৪)
বিয়ের আগে অবৈধ প্রেম যদি এরপর ও করো, বা প্রেমের ছ্যাকা খাওয়া স্টাটাস দিতেই থাকো, তবে সুনে রাখো তুমার থাকার স্থল জাহান্নমে। এইটা আমি বলিনাই পড়ে দেখুন,
সূরা আন নিসা (النّساء), আয়াত: ১৪
وَمَن يَعْصِ ٱللَّهَ وَرَسُولَهُۥ وَيَتَعَدَّ حُدُودَهُۥ يُدْخِلْهُ نَارًا خَٰلِدًا فِيهَا وَلَهُۥ عَذَابٌ مُّهِينٌ
অর্থঃ যে কেউ আল্লাহ ও রসূলের অবাধ্যতা করে এবং তার সীমা অতিক্রম করে তিনি তাকে আগুনে প্রবেশ করাবেন। সে সেখানে চিরকাল থাকবে। তার জন্যে রয়েছে অপমানজনক শাস্তি।
যারা বোঝে অল্প কথায় বোঝে,,,,,আর
যারা বোঝেনা তারা হাজার কথায় ও বোঝেনা।।।
হে যুবক-যুবতী এখনো সময় আছে ফিরে আসুন, আল্লাহ পাক আরো বলেনঃ
সূরা আন নিসা (النّساء), আয়াত: ১৬
وَٱلَّذَانِ يَأْتِيَٰنِهَا مِنكُمْ فَـَٔاذُوهُمَا فَإِن تَابَا وَأَصْلَحَا فَأَعْرِضُوا۟ عَنْهُمَآ إِنَّ ٱللَّهَ كَانَ تَوَّابًا رَّحِيمًا
অর্থঃ তোমাদের মধ্য থেকে যে দু’জন সেই কুকর্মে লিপ্ত হয়, তাদেরকে শাস্তি প্রদান কর। অতঃপর যদি উভয়ে তওবা করে এবং নিজেদের সংশোধন করে, তবে তাদের থেকে হাত গুটিয়ে নাও। নিশ্চয় আল্লাহ তওবা কবুলকারী, দয়ালু।
এখনো সময় আছে তওবা করে ফিরে আসুন, অবৈধ প্রেমে ত্যাগ করুন, এবং বিয়ে করে স্বামি/স্ত্রীর সাথে প্রেমে মেতে উঠুন, আল্লাহ পাক ক্ষমা করে দিবেন ইন-শা-আল্লাহ।
আল্লাহ সবাইকে সহিহ্ বুঝ দান করুন, সকল অবৈধ কাজ থেকে বিরত থাকার তাওফিক দান করুন। আমীন।
No comments
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ