হাশরের ময়দান.....

হাসরের মাঠে যার কাছে হিসাব চাওয়া হবে সেই বিপদে পড়বে। কোরআন এবং হাদিস অধ্যায়ন করে যতদূর জানা যায়,,,,
তা-হলো হাশরের ময়দানে যে ব্যক্তির হিসাব হবে, সে ব্যক্তির পক্ষে জান্নাতে যাওয়া অসম্ভব।

কারণ আল্লাহ যদি সেদিন একটি মাত্র প্রশ্নই করেন, পৃথিবীতে তুমি কতটুকু পানি পান করেছো?

তাহলে তো কোন মানুষই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিতে পারবে না। অতএব যারা জান্নাতি হবে, তারা হিসাব ছাড়াই জান্নাতে প্রবেশ করবে।

কোরআন শরীফে ঈমানদারদের হিসাব সহজভাবে গ্রহণ করা হবে বলতে বুঝানো হয়েছে, ঈমানদারদের হিসাব গ্রহনে কড়া-কড়ি ও কঠোরতা অবলম্বন করা হবে না। তাকে প্রশ্ন করা হবে না, অমুক অমুক কাজ তুমি কেন করেছিলে- আজ তার কৈফিয়ত দাও!

নবী-রাসূল ব্যতীত পৃথিবীতে কোন মানুষই ভুল-ভ্রান্তির উর্ধ্বে নয়।
সুতরাং ঈমানদারদের আমল নামাতেও গোনাহ থাকবে। কিন্তু সে গোনাহ তার সৎ আমলের তুলনায় বেশি হবে না। সে কারণে তার গোনাহ মহান আল্লাহ এমনিতেই মাফ করে দেবেন।
আল্লাহ কোরআনে ওয়াদা করেছেন, পৃথিবীতে যারা ইসলামের বিধান মেনে চলবে, তাদের সামান্য পাপ-গোনাহ তিনি ধুয়ে-মুছে পরিষ্কার করে দেবেন। মানুষ সাধারণত দু’ভাবে গোনাহ করে----

১-ইচ্ছাকৃতভাবে
২-অনিচ্ছাকৃতভাবে।

ঈমানদারদের আমলনামায় যে সমস্ত গোনাহ থাকবে, সে সমস্ত গোনাহ হলো অনিচ্ছাকৃত গোনাহ, আর পৃথিবীতে ঈমানদারগন যখনই বুঝে সে গোনাহ করে ফেলেছে, তখন ঈমানদারের স্বভাব অনুযায়ী সাথে সাথে সে সেজদায় পড়ে চোখের পানি ফেলে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চায়। এ সমস্ত কারণেই ঈমানদার ছাড়া পেয়ে যাবে।

আর যারা ইচ্ছাকৃতভাবে অহংকারের সাথে ইসলামের আইন অমান্য করে উচ্চস্বরে বলে, আমি মদ খাওয়া ছাড়বো না। এই ধরণের ব্যক্তি ক্ষমার অযোগ্য বলে বিবেচিত হবে।

No comments

আপনাকে অনেক ধন্যবাদ

Powered by Blogger.