স্মরণ ও দোয়া

স্মরণ ও দোয়া

জাগ্রত কবি মুহিব খান
*
আমার প্রাণাধিক প্রিয় আব্বা, আমার শিক্ষক ও শায়খ, খতীবে মিল্লাত হযরাতুল আল্লাম মাওলানা আতাউর রহমান খান (রহঃ) এর ওয়াফাতের ১০ বছর আজ।

তিনি ছিলেন জাতীয় শরিয়া কাউন্সিলের সম্মানিত সদস্য, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের গভরণিং বডির সদস্য, বেফাকের ৩ টার্মের মহাসচিব ও ভাইস চেয়ারম্যান, ঢাকার ফরিদাবাদ মাদরাসা ও মিরপুর-৬ দারুল ঊলুম মাদরাসার মুহতামিম, জামিয়া মিল্লিয়া ও জামিয়া ফারুকিয়ার প্রতিষ্ঠাতা, কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক জামিয়া ইমদাদিয়ার ভাইস প্রিন্সিপাল, শহিদী মসজিদের পেশইমাম, মুহাদ্দিস, মুফাসসির, মুফাক্কির, অনবদ্য সীরাত আলোচক ও গবেষক, পূঁজিবাদ সমাজতন্ত্র ও ইসলাম-সহ অনেক মূল্যবান গ্রন্থের লেখক, মাসিক মুনাদী ও তানযীম বার্তার সম্পাদক, প্রাবন্ধিক, সংগঠক, সুবক্তা, দার্শনিক, প্রাজ্ঞ রাজনীতিক, জাতীয় সংসদ সদস্য ও কিংবদন্তি জনপ্রিয় জননেতা।

অনিন্দ সুন্দর চরিত্র, স্বর্ণালী দেহাবয়ব, সুগভীর বোধ, উন্নত ব্যক্তিত্ব ও দূরদৃষ্টিসম্পন্ন চলমান জ্ঞানসাধক, অসাধারণ রাসূল প্রেমিক ও মহান রবের বাস্তব ওলী।

এই ক্ষণজন্মা মনিষী ২০০৮ এর ৩১ জুলাই মোতাবেক ২৭ রজব 'পবিত্র লাইলাতুল মিরাজে' তাঁর প্রিয় মাওলার সান্নিধ্যে চলে যান। উল্লেখ্য যে, এর আরও ২৭ বছর আগে তাঁর পিতা (আমার দাদাজান) খলীফায়ে খলীফায়ে থানবী, ওলীয়ে কামেল প্রিন্সিপ্যাল আল্লামা আহমাদ আলী খান (রহঃ) এর ইন্তেকালের রাতটিও ছিলো 'পবিত্র লাইলাতুল মিরাজ'।

আল্লাহ তাঁর এ প্রিয় বান্দাকে কবুল করুন ও উত্তম প্রতিদান দান করুন।

No comments

আপনাকে অনেক ধন্যবাদ

Powered by Blogger.